Saturday, August 4, 2012

ওয়ান-ওয়ে-চাওয়া-১ (OSLA...??)


এই ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে বিদ্যুতবেগে মাঝে মাঝেই তোমাকে চাই।
যেন তোমার কোন কাজ থাকতে নেই।
যেন আমি চাইলেই এক লহমায় তুমি এসে হাজির হবে অধুনাতম ফাইবারের ভিতর দিয়ে।
কিংবা বেতার তরঙ্গ বেয়ে বেয়ে।
এই 'আমি' - 'আমি' আর সর্বত্র 'আমি'-র কালে তোমাকে আলাদা রাখবার জায়গা কোথায়, বলো?
তাইতো পুরে রাখি নিজের মাঝে!

কিন্তু তুমিও তো কেবলই "ব্যস্ত" স্ট্যাটাস দিয়ে রেখে - দিব্যি গায়েব হয়ে থাকো!
যেন আমাকে তোমার আর কোন প্রয়োজন নেই।
যেন আমি এক অনাবশ্যক আর বিরক্তিকর বস্তুতে পরিণত - তোমার কাছে!

আসলেও কি তাই?

আমিতো মনে মনে ভাবি - তুমি বিরলে আমাকে নিশ্চয় ভাবো।
হয়তো সাড়া দাও না ধরা পড়বার ভয়ে!
হয়তো আমার ধৈর্য্য আর একাগ্রতায় পরীক্ষা নিচ্ছো অহরহ নিরুত্তর থেকে!!

আর কোন সত্য জেনে কাজ নাই --
আমার ওয়ান-ওয়ে-চাওয়ারা তীব্র বেগে ধেয়ে -
একদিন তোমার চাওয়াদেরও নিয়ে আসবে আমার দিকে --
মনে মনে একেই সত্য বলে পাই।।


নদী ও নারী - ১

( ... by Fokhruz Zaman on Saturday, June 30, 2012 at 12:41pm · from my FB Notes...)


তুই যদি নদী হবি নারী - 
     তবে স্রোতস্বিনী ধারা তোর,
           হারালো কোথায়...?
....
কেন স্থানু নিশ্চল চোখ তোর -
      নদী-হারা মরা মাছের মতন...?
শুধু বিলাসে গা ভাসানো -
      শুধু জাগতিক মোহে তোর কেশের বিন্যাস?
কোন শাপে হারালি তোর নদীরূপী বর?
কেবা তোরে শাপ দিল - কোন সেই "আদিতম নর"...?

সরস্বতীর আরাধনা - ১

(...by Fokhruz Zaman on Monday, June 25, 2012 at 9:21am · .. from my FB Notes)



হে ভৈরবী প্রিয় স্বপ্নব্রতী,
তোমার  চিঠিতে আমি ফিরে যাই –
সেই প্রায় তিরিশ বছর আগের লেখালেখির অধরা অমরাবতীর কাছে।
সময়ের নির্যাস থেকে মৌলিক কোন ভাষা-প্রকরণ আয়ত্বে বুঝি এখনো এলো না আমার।
এই হতাশায় দীর্ঘকাল যতি টেনে টেনে মাঝে মধ্যে মৃদু চেষ্টা সরস্বতীর আরাধনার।
কিন্তু কাব্যলক্ষী সহজে তুষ্ট হয় না এই মাঝে-সাঁঝে মৃদু-মন্দ-চেষ্টা-সমীরণে…
অন্তহীন অন্তর-বিহীন কঠোর চেষ্টা চাই অন্তরের শুদ্ধতম অংশের---
তবেই না দেবী হবেন তুষ্ট, অমরত্বের বর দেবেন কাব্য অমরাবতীর ঘরে।

কিন্তু বলো স্বপ্নব্রতী, এই ডিজিটাল-ফেসবুকের যুগে কি করে শুধু এক দেবীর সাধনায় নিবিষ্ট রাখি মন ?
যখন লক্ষী এসে কড়া নাড়েন দরজায়, যখন প্রায় অনায়াসে বহু দেব-দেবী লাভের ডিজিটাল-ডিজায়ারে ---
আঁকুপাঁকু করে পাগল মন আমার!
“নিনাইয়ার শতেক নাও” প্রবচনে প্রলুদ্ধ হয়ে ঘুরি বুঝি লক্ষ-কোটি বাসনার ঘোরে।
কিন্তু আয়ত্বে আসে না কোন নির্দিষ্ট উপাসনা।
নানাবিধ উপাচারে, উপবাসে পরবাসে ঘরহীন বরহীন –
শুধুই পথে বেপথে ঘুরে ফিরে চলা, শুধু চলে চলে যাওয়া।

আমি শ্যাম-রাই – ১

(...by Fokhruz Zaman on Tuesday, May 22, 2012 at 10:07pm ·  from my FB Notes ...)



কত কত শত শত বছর পার হয়ে গেলো –
মনের রাই বুঝি দূর হলো না।
শ্যামের প্রেমে পড়া রাই –
কেন যে আমারই অন্তরে বসবাস করে-
তা বুঝি কোন কালা কোন কালে জানে না।
বিরহ বিষাদের নিখাদ সুরে-
সজল রাই-
যাই যাই করে আজো গেলো না।
জীবনের আত্মা – জীবাত্মা – খুঁজে মরে –
পরমের আত্মা – পরমাত্মা – প্রিয়তম জোড়া-বান্ধবেরে।
জীবনের রাই খুঁজে ফিরে পরমের শ্যাম-কালিয়ারে।
এ জীবন এমন কেন?
প্রতিটি মূহূর্ত অনিত্য জেনেও চির পরমের আকুলতা একুল ওকুল সবকুল ভাসায়।
“তুমি কোনবা দ্যাশে রইলারে দয়াল চান। তোমায় না দ্যাখলে বাঁচে না আমার প্রাণ”।
“নিঠুর কালিয়া সোনারে” – “বন্ধু সোনা কালিয়ারে” – আরো আরো কত শত নামে ডাকি –
আমি শ্যাম-রাই – শ্যামের চরণে চাই এই জীবনও যাপন।
না দেখে কালারে – এই ঘোর গ্রীষ্মেও দুই চোখে নামে প্রবল শ্রাবণ।।



রাজকুমার – শতবর্ষী হও তুমি

(...by Fokhruz Zaman on Friday, March 9, 2012 at 9:55am · from my FB Notes...)



রাজকুমার – শতবর্ষী হও তুমি
কালাহারি
ঢাকা, ১৪ই মার্চ, ২০১২

তোমাকে দেখেই ভালো লেগে গেলো আমার, হে চুপচাপ শিশু - রাজকুমার।
ঘরবাড়ি ছেড়ে, আলুথালু চুলদাড়ি বেড়ে বল্কল মুনির অবয়ব আমার,
আর তুমি বুঝি হেসেখেলে চলে যাও রাজ-মৃগয়ায়।

আজ কতযুগ পর কতশত-সহস্র মুহূর্তের স্মৃতি-কাতরতায় আমার দুচোখ ভিজে ভিজে যায়।

সেই সেই সব সব দিনের উথাল পাথাল স্মৃতি –
ভয়াল মিলিটারী জান্তার জন্তু-ব্যবহার, ক্যাম্পাসে দিপালীর লাশ,
সেলিম-দেলোয়ারের পুলিশ-ট্রাক-চাপা পিষ্ট দেহের অবশেষ।
স্বাধীন এই দেশে অবিরাম ছাত্র হত্যার মিশনে নামে আমাদেরই মিলিটারী, পুলিশ।

তবু জীবনে বসন্ত আসে, কারও চোখে চোখ রেখে ভাসি বুঝি আশার মোহন ভেলায়।
সেইসব উথাল পাথাল দিনের মাতাল মাতাল স্মৃতি –
নতুন তারুণ্যের উন্মাতাল সেই সেই দিন,
সেই যে অনুপ জালোটার সজল ভজন, পঙ্কজ উদাসের উদাত্ত গজলের আবাহন।
বসন্তের উদ্ভ্রান্ত বাতাসে "পাগল হইয়া ঘুরি বনে বনে – "
আর – "যাহা চাই, তাহা পাই না"।
পাওয়া - না পাওয়ার ঘোরে ঘোরে কেটে যায় প্রায় সমস্ত জীবন।

আজ যেন কতযুগ পর আশার বিদ্যূত ঝলকানি চমকায় দুই চোখে –
তোমার শান্ত নির্লিপ্ত চোখে দেখি আমাদের উজ্জ্বল আগামীর আভাস।

হয় এই গ্রহে কিংবা দূরের কোন তারা থেকে –
থাকি বা না থাকি - তবু আশীর্বাদ করি –
শুভ হোক এই জন্মদিন তোমার।
কালজয়ী, দিগ্বিজয়ী হও,
আর সুস্থ সবল সুন্দর হয়ে বেঁচে থাকো শত বছর, হে রাজকুমার।

আত্মহননের পথ…১

(by Fokhruz Zaman on Sunday, February 19, 2012 at 11:14am · from my FB Notes...)


পথটা কি চেনা চেনা মনে হয়?
আবছায়া, হালকা শীতে ভরা ছমছমে পথ।
ভিনসেন্ট, প্লাথ, কাদম্বরী আরও বহু বহু “ব্যর্থ” মানুষের পথ…
যে যায়, বুঝি সে-ই শুধু জানে---
জীবনের যতি কখন নিয়ত: টানে---
প্রবল আবাহনে।

বিশ্বাস হারানোর হাহাকার, নিয়ত: অবিশ্বাসের বিষ,
ছদ্মবেশী অমানুষের দারুণ প্রতাপ, হিসেবের চতুর চালে পদে পদে পরাজয়।
পথটা কি চেনা চেনা মনে হয়?

হতাশা, একাকিত্ব, দীর্ঘশ্বাস---
লোকসান, অর্থাভাব, দেনার-দায়, দায়িত্বের কঠিন জোয়াল---
আশার খড়কুটো কেবলই দূরতর হয়---
অনেকটাই কি মিলে মিলে যায়?

যে যায়, বুঝি সে-ই শুধু জানে, পরাজিত জীবনের গ্লানি কতখানে।।

Dots to Infinity ... - 1

(by Fokhruz Zaman on Friday, October 7, 2011 at 10:06pm · from my FB Notes)


Why did you leave us so early, Steve Jobs?
Or is it the unkind Nature that took you away?
Alas! What a loss this world incurred!
Tears are falling from many eyes making visions blurred.
Few more decades you could stay,
Secretly creating your wonders, unlocking the creative play.
Your teams are great, Great are the innovation systems,
Yet a leader like you catapults, glowing high with the inner gems.
You were connecting the dots in your great speech to the young Stanford Graduates,
Three of your life's stories : simply told but so profound.
The dots connected so well,
All who saw you - remembered like a spell.
You inspired millions, ignited so many minds that you never met,
They will hold your ideals, connect your dots to Infinity!
For sure for many generations you will inspire, you will live,
Amazing presents from all heavens you will give,
Adieu our remote Guru, Adieu dear Steve!!