Monday, January 28, 2013

আমার দেহভস্ম থেকে - ১ (A Sonnet)


আমার দেহভস্ম থেকে - ১ (A Sonnet)
(কোমরে জামাটা বাঁধা চিনে নিও লাশ)
============================
আজ সকালের ভাতেও মরিচ পোড়া
খেয়ে গেছি ঐ পোষাকের কারখানায়।
প্রতি বারের মতো মালিকেরা জানায়
এবারও লস, চারিদিকে বাজার খুব চড়া।
কাজ করো অবিরাম - রাতদিন জোড়া
করে কাপড়ের চালান যেন ঠিক ঠিক যায়।
হঠাৎ আগুন - কেয়ামত দেখি চোখের কোণায়
দরজা তালা মারা, গলদ আগা-গোড়া!

বেহুঁশ সবাই চারিদিকে ছুটাছুটি ক'রে
মারা যাচ্ছে বিষাক্ত ধোঁয়া ও পায়ের চাপে।
আমি মরে যাচ্ছি মা’গো, থেমে যাবে শ্বাস,
ক্ষতিপূরণ নিতে ভুলো না মালিককে ধরে
শত লাশের ভীড়ে চিনতে ভুলো না সন্তাপে
কোমরে জামাটা বাঁধা চিনে নিও লাশ!

Out-Of-Sync-1 (A Sonnet)


Out-Of-Sync-1 (A Sonnet)
----------------------------
Luis I Kahn lonely staring at me
Through his latest Great Architecture!
Beautiful Assembly House - the Treasure
Since the teen-days spell-bounds me!
Deep blue sorrows oozing out slowly
Yearning human touch, your nurture.
Missed calls open crack, heart's rupture!
I'm free now, you are not free!

I'm sinking Dear, truly Out-Of-Sync
In my Web, In this City's Labyrinth
Our free time slots never coincide!
Lives without pause, without eye blink
In roller-coaster, in lean Hyacinth
Are we drowning slowly in this ride ?

Friday, November 9, 2012

বর দাও মধুকবি - বর দাও অকিঞ্চনে - ১

না পারি লোভ সম্বরিতে, দেখে তোমার মধুর ভান্ডার, হে মধুকবি!
তাইতো হুবহু করি সিঞ্চন, তোমার অমর মণি-মানিক্য-রতন!

"সম্মুখ সমরে পড়ি, বীর-চূড়ামণি
বীরবাহু, চলি যবে গেলা যমপুরে
অকালে, কহ, দেবি অমৃতভাষিণি,
কোন্ বীরবরে বরি সেনাপতি পদে,
পাঠাইলা রণে পুণ: রক্ষকুলনিধি
রাঘবারি? কি কৌশলে, রাক্ষসভরসা
ইন্দ্রজিত মেঘনাদে - অজেয় জগতে -
ঊর্মিলাবিলাসী নাশি, ইন্দ্রে নি:শঙ্কিলা?

বন্দি চরণারবিন্দ, অতি মন্দমতি
আমি, ডাকি আবার তোমায়, শ্বেতভুজে
ভারতি। যেমতি, মাত:, বসিলা আসিয়া,
বাল্মীকির রসনায় (পদ্মাসনে যেন)
যবে খরতর শরে, গহন কাননে,
ক্রৌঞ্চবধু সহ ক্রৌঞ্চে নিষাদ বিঁধিলা,
তেমতি দাসেরে, আসি, দয়া কর, সতি।
কে জানে মহিমা তব এ ভব মন্ডলে?

নরাধম আছিল যে নর নরকুলে
চৌর্য্যে রত, হইল সে তোমার প্রসাদে,
মৃত্যুঞ্জয়, যথা মৃত্যুঞ্জয় উমাপতি!
হে বরদে, তব বরে চোর রত্নাকর
কাব্যরত্নাকর কবি! তোমার পরশে,
সুচন্দন-বৃক্ষশোভা বিষবৃক্ষ ধরে!
হায়, মা, এ হেন পূণ্য আছে কি দাসে?

কিন্তু যে গো গুণহীন সন্তানের মাঝে
মূঢ়মতি, জননীর স্নেহ তার প্রতি
সমধিক। ঊর তবে, ঊর দয়াময়ি
বিশ্বরমে! গাইব, মা, বীররসে ভাসি,
মহাগীত, ঊরি, দাসে দেহ পদছায়া।

-- তুমিও আইস, দেবি, তুমি মধুকরী
কল্পনা! কবির চিত্ত-ফুলবন-মধু
লয়ে, রচ মধুচক্র, গৌড়জন যাহে
আনন্দে করিবে পান সুধা নিরবধি।
।।।।।।।।।।
।।।।।।।।।।
।।।।।।।।।।

নামি আমি, কবি-গুরু, তব পদাম্বুজে,
বাল্মীকি! হে ভারতের শিরঃচূড়ামণি,
তব অনুগামী দাস, রাজেন্দ্র-সঙ্গমে
দীন যথা যায় দূর তীর্থ-দরশনে!
তব পদ-চিহ্ন ধ্যান করি দিবা নিশি,
পশিয়াছে কত যাত্রী যশের মন্দিরে,

দমনিয়া ভব-দম দূরন্ত শমনে -
অমর! শ্রীভত্তৃহরি; সূরী ভবভূতি
শ্রীকন্ঠ, ভারতে খ্যাত বরপুত্র যিনি
ভারতির, কালিদাস - সুমধুর-ভাষী;
মুরারী-মুরলী-ধ্বনি-সদৃশ মুরারি
মনোহর; কীর্ত্তিবাস, কীর্ত্তিবাস কবি,
এ বঙ্গের অলঙ্কার! - হে পিত:, কেমনে,

কবিতা-রসের সরে রাজহংস-কুলে
মিলি করি কেলি আমি, না শিখালে তুমি?
গাঁথিব নতুন মালা, তুলি সযতনে
তব কাব্যোদ্যানে ফুল; কিন্তু কোথা পাব
(দীন আমি!) রত্নরাজী, তুমি নাহি দিলে,
রত্নাকর? কৃপা, প্রভু, কর অকিঞ্চনে! ---"

আজ প্রায় দুশো বছর পরেও কি উজ্জ্বল তুমি - হে মধুকবি, এ বঙ্গের অলঙ্কার!
তোমার অমরতার তীব্র আকুতির সত্য পরিণতি - কবি, আজ যশের মন্দিরের সমস্ত চূড়ায় চূড়ায়!
তোমার প্রার্থনার মঞ্জুরি ঘোষনা করেছেন বাংলা কবিতার সব অমর দেবতারা!
বাংলা-কবিতা-রসের রাজ সরোবরে কি অপূর্ব বিরাজিত রাজহংস তুমি, দত্ত-কূলোদ্ভব-কবি-শ্রী-মধুসূদন!
কতো যে নতুন মালা গেঁথেছ তুমি বাংলা কবিতায়, আদি-রত্নাকরে পরাজিত করি, হে নব্য-রত্নাকর!
কতো যে বাঙ্গালীর হৃদয় কেঁদেছে তোমার কবিতার জন্য জীবন বিসর্জনে!
এই অতি অক্ষমের হৃদয় মন্দিরে দেবতার আসনে আজো তুমি আছো কবি, সেই সে কৈশোরের উদ্বোধনের দিন হতে শুরু করে - আজও!
আজও এই অকিঞ্চনের চোখের ধারায় কবিতা-কাঞ্চনের অবিনাশী আকুতি - হেরো হে কবি-সম্রাট!
গুরু কবি রবি ঠাকুরের সর্বগ্রাসী কবিতা-মোহতার পরেও, প্রেমী-বিদ্রোহী কবি নজরুলের গানের অপূর্ব ঝংকারের পরেও, শুদ্ধতম কবি জীবনানন্দের অবিনাশী আধুনিকতার পরেও, সুধীন্দ্রনাথ দত্তের পরিশ্রমী বিশুদ্ধ কবিতার পরেও, শক্তি, সুনীল, আল মাহমুদ, শামসুর রাহমান, জয় গোস্বামী, আরও আরও কীর্তিমান বাংলা কবিতা-স্রষ্টাদের পরেও তুমি অনন্য, তুমি প্রাসঙ্গিক, তুমি আজও আধুনিক - কবিতার বর-পুত্র হে মধুসূদন!!
আর তাই -- বর চাই, বর চাই, হে পিত:, কবিতা-রসের রাজসরোবরে রাজহংস-কুলে কি সাহসে খেলা করি আমি, না শিখালে তুমি? ভাবি আমি - তোমার উদ্যমের ফুলগুলো দিয়ে নতুন নতুন মালা,
যদি গেঁথে দিতে পারি কালের পরম্পরায়! তোমার কাব্যোদ্যানের কতশত ফুল! কিন্তু কোথা পাব (দীন আমি!) শত ফুল, আর উত্তর-উত্তর-আধুনিকতার শত-শত-মণি-কাঞ্চন?

তুমি যদি না দাও, বাংলা কবিতার প্রথম বিপ্লবী-ঈশ্বর?

আজ কৃপা তাই, করো মোরে প্রভু, কর কৃপা এই অকিঞ্চনে!

Friday, August 31, 2012

Losing :: Living and Loving - 1 (LLL-1)

(Life & Love Lost -1, Friday, 31st August, 2012, 9:00 AM...
incomplete... to be edited more later....)

Have I got defeated in your perpetual battle?
Are all the gems got vanished from my life?
Why am I losing in Living and Loving?
Why are my Life and Love Lost leaving
bitter tastes in all around? Three decades ago
it was all different on the ground! Who could
adore you more than I could! Who could go
so much against the winds to catch your letters!
Who could write you hours and hours even writing
in the last minutes while the post office closes at night!
Who could cross miles in those stormy flooded nights
just to get a message of your well-being! Who could yearn,
yell, walk and weep so much, outbursting all conflicting
inner emotions! May be a true lover could !

And yes, I was a true lover of yours!

Where are those feelings now? Dried? Salted? Betrayed?
Our small-bridge yells at me! May be I'm to blame for
all! That's what she, the small-bridge thinks! What really
happened in that fateful day - she exclaims! I keep mum!
May be she heard your version of the story! Now needs
my one! What would I tell her? That I witnessed the filthy
betrayal of a love, lost long ago? That I'm cooking my version
so to save my grace? That I'm the one who betrayed all along?
What's the use of dissecting a dead-body putrefied long ago?

Well yes, I should be responsible for all follies in my life!

In the Beginning, we vowed to support each other until we die!
We vowed to support our people, our land in whatever way we could!
We vowed to earn our living only in the best honest ways! I got
your word to support my aspirations of becoming a great poet!
I would only write, sing, play flute; while you would do the daily
chores! Those promises forgotten long ago!
"Promises are made to be broken to get relief from its burden!"
- wrote our Guru Poet! I don't blame you! Only my destiny is to blame!
I became a loser, I became a sucker!
Repeated failures in independent living! Busy days and nights!
Only works and sleepless entrepreneurial nights!
You took me a lost case! You took me a promise-breaker!
You took me the one who really betrayed!

Well, will the little bridge will ever know?

... ... ...
... ... ...
... ... ...

(to be continued...)

Friday, August 17, 2012

হায় - মধুসূদনের পন্ডিতগণ - ১

(ঢাকা, ৭ই আগষ্ট, ২০১২)

আপনারা কোথায় আছেন বাবারা -
    মাইকেল মধুসূদনের ভাষাবিশারদ পন্ডিতেরা ?
আমি তো আঁতিপাতি করে খুঁজি আপনাদের!
আমারও তো বোধ হয় হাতে খুব অল্প সময় -
যা কিছু লেখার, যা কিছু জানানোর, যা কিছু করার;
তাড়াতাড়ি করে যেতে হয় --
                              বাবা মহাশয়!

তবে কোন গুণ নেই মাইকেলের মত!
শুধু অতি যত্নে লালন করে যাচ্ছি,
মধু-কবি-সম-তীব্র-বাসনা-মম!
এবং বেখেয়ালী বেপথু জীবন,
আর প্রায় নিত্য অনটন!

সম অন্তরালে আমিও,
পাঁচ পাঁচটি কাব্য লিখে যেতে চাই;
আপনাদের পাঁচ পাঁচজন পন্ডিতের,
                        নিরলস সহযোগিতায়!
এ যুগের পাঠক,
খাবে কি খাবে না;
তা পরে দেখা যাবে!
যুগের ভাষা নির্মাণ,
হলো কি হলো না;
তাতো দেখবেনই, আপনারা,
ভাষা বিশারদ পন্ডিতেরা!

আমি শুধু,
'কুন' বলে, জানাবো, ইচছা;
শক্তিমান বিধাতার মতো!
আর 'ফায়া-কুন' হবে তা,
আপনাদের অবিনাশী শব্দমালায়!
জ্বলজ্বল করে তারা, তারা রূপে,
স্থান করে নেবে;
ভাষা, সাহিত্য, কবিতার মহাকাশে,
যুগ যুগ ধরে!

আমি নই,
আপনারাই অমর হবেন;
হে অসাধারন ভাষাবিশারদ,
মাইকেলের প্রাজ্ঞ পন্ডিতগণ!!


Sunday, August 5, 2012

অভিলাষ - ২

(হে মহাজীবন - মাত্র ৫০০ বছর 'আয়ু' চাই ! - ১  :: ৬ই জুলাই, ২০১২ :: সকাল ১০টা)


তোমাকে আমি কতো বেশী অভিলাষী - হে মহাজীবন!
তুমি কি তার কিছুমাত্র অভিলাষো আমাকে ?
ভগবান বুদ্ধকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর মঞ্জুর
করেছো এ যাবৎ। আমার মঞ্জুরি কি তার এক
দশমাংশ হবে?
আরো কত কত শত শত শ্রমে
মিলবে সেই কাঙ্খিত মজুরি আমার ?
আরো কত নিদ্রাহীন রাত ? বিপন্ন জীবন ? নি:সম্বল
নি:সঙ্গ সময়ের ধারাপাত ?

... ... ...
... ... ...

আমি তো তুড়ি মেরে অনায়াসে সব পার্থিব
সম্পদ জলাঞ্জলি দিতে পারি - তোমার প্রবল নিশ্চিত
আবাহনে! কিন্তু খুঁতখুঁতে বিষয়ী অবিশ্বাসী মনে
কি করে নিশ্চিত হই - বলো হে মহাজীবন ??

বসন্ত বরণ - ১

(১২ই ফেব্রুয়ারী, ২০১১; ৩০শে মাঘ, ১৪১৭ :: রাত ১০:৩০ মি:)

ওএমএসের খোলা ট্রাকের সস্তা চাল কেনার লম্বা লাইনে -
ভোর থেকে দাঁড়ানো দরিদ্র মেয়েটির পরনেও আজ লালপেড়ে হলুদ শাড়ী -
যথাসাধ্য প্রসাধনী ও সুন্দর সাজ।
গার্মেন্টসের কষ্ট-কন্টকিত অগণিত গ্রাম্য তরুণীরা দ্রুতপায়ে চলা
হরিণীর দলের মত কাজে যাচ্ছে আজ -
হলুদ, সোনালী, লাল, সবুজের রঙের বন্যায়।
ধনিক, বণিক তরুণী ও বয়েসী নারীগণ -
ধনাঢ্য হলুদ সোনালী নানা বিচিত্র সাজে এই দিনকে করছেন বরণ!
গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, ম্যাগনোলিয়া আরও নানা সব ফুলে ফুলে
চারিদিকে নানা রঙের বাহার।
মৃদু মুকুলিত আম, কাঁঠাল ও নানা ফলের কুঁড়ির
মিষ্টি মদির গন্ধে প্রকৃতি মাতোয়ারা আজ - মাতাল হাওয়ায়।

বসন্ত ঋতুরাজ - কী প্রবল এসেছো - আজ!
ক্ষুদ্র কবি কালাহারি - তোমাকে আজ কুর্ণিশ করি।।